শনিবার, ১১ Jul ২০২০, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
বরিশাল থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টা্ল "দৈনিক সময়ের খবর"বরিশাল বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলা সহ মহানগরীর ৩০ ওয়ার্ড ও ৪ টি থানায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হইবে।আগ্রহী প্রার্থীরা ৭ দিনের মধো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ যোগাযোগ করুন।
সংবাদ শিরোনাম :
করোনা জয়ী পুলিশ যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিলেন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান। দীর্ঘ ১২ বছর অপেক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ,প্রধানমন্ত্রীকে বিএএমটিপি’র কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা। পুত্রসন্তানের জনক হলেন সার্জেন্ট শহিদুল ইসলাম। সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই। বরিশালে সড়কের উপর গেট নির্মানের পায়তারা, মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা। সাংবাদিকতার সুযোগ দিচ্ছে “বরিশাল সময়ের খবর” শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন প্রফেসর মো. জিয়াউল হক। মহাদুর্যোগে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পুলিশ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেছি: বিএমপি কমিশনার। যে অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করে করোনা মুক্ত থাকবেন। বরিশালে বেড়েছে অনলাইন পন্যের কদর, একধাপ এগিয়ে Twins Butterfly শপ।
যুবরত্ন সাদিককে নিয়ে বিতর্কে মিডিয়াপাড়া, অতঃপর বীরদর্পে মেয়র।

যুবরত্ন সাদিককে নিয়ে বিতর্কে মিডিয়াপাড়া, অতঃপর বীরদর্পে মেয়র।

সৈয়দ জিহাদ: (কভিড-১৯)নোভেল করোনাভাইরাস আতংক নিয়ে যখন বরিশালে আতংক বিরাজ করছিল,ঠিক সেই মুহুর্তে নগরসেবক মেয়র সাদিককে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছিলোনা।এমন সংবাদ বরিশালের মিডিয়াপাড়ায় পর্বকারে পএিকার পাতায় নিয়মিত প্রকাশ পেলেও তারই অবসান ঘটিয়ে এবার হেমিলিওনের বাশিওয়ালা খ্যাত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে এলেন।অবশ্য সংশ্লিষ্ট সুএ বলেছে,মেয়র অন্তর্ধানে থাকলেও নগরবাসীর জন্য খাদ্যসামগ্রীর কর্মসুচী হাতে নেওয়া ছিল আগ মুহুর্তেই।কিন্ত নগরবাসীর কাছের অভিভাবক হয়েও কেন খাদ্য সামগ্রী বিতরনে সময় লেগেছে এমন প্রশ্ন কিছুটা ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।তবে মেয়রের একটি বিশ্বস্ত সুএ জানায়,আমরা ৪০ হাজার মানুষের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করার কর্মসূচি নিয়েছি বলে সময় লেগেছে।মেয়রের সহোচর এই নেতা বিতর্ককে টপকে বলেন,আমরা হাতে সময় নিয়েছি ঠিকই তবে প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছি। যেটা আমাদের অতীতে অনেকেই মাঠে নেমে এখন পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী বাজেটের এান-সামগ্রী দিতে ভুমিকা রাখেননি।তবে এই যুবকবয়সী নেতার কন্ঠেস্বরে বলছে, মেয়র সাদিক কখনই অন্তর্ধানে ছিলেন নাহ বরংচ নগরবাসীর জন্য ভাল কিছু দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে ছিল বলেই সময় লেগেছে।যদিও বর্তমানে নগরপিতা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরনের দিক থেকে এই তরুন বয়সী যুবরত্ন এগিয়ে আছে বলে সুএ নিশ্চিত করে।এদিকে মুজিবর্ষের অনুষ্ঠানের দিন সিটি মেয়র সাদিককে বেশ জমকালো মেজাজে মঞ্চে দেখা গেলেও,পরের দিন থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে কেউ মুখ খুলতে নারাজ ছিলেন।তবে একটি নির্ভরযোগ্য সুএ বলেছে, মেয়র সাদিক বরিশালের মাটিতেই ছিলেন এবং স্বয়ং নগরের ভিতরই তার অবস্থান ছিল।কিন্ত এই করোনাভাইরাস মহামারী দুর্যোগে নগরবাসীর পাশে থাকার কথা থাকলেও কেন আসলেন নাহ।এমন একটি প্রশ্ন বেশ কিছুদিন থেকেই মেয়রের ঘরোয়ানা লোকদের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিল। কিন্ত রহস্যময় কন্ঠে নয়, স্পষ্টভাষী কন্ঠে মেয়রের পক্ষ থেকে জানান দেওয়া হয়,মুজিবর্ষের প্রগামে মেয়র বেশকিছুদিন লোকসমাগমের ভিতর ছিল বিধায়,চিকিৎসকের পরামর্শে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকার প্রয়োজনীতা অনুভব করেন।যাহা এক প্রকার হোম কোয়ারেন্টিন বলা যায়।ওই সুএটি আরও নিশ্চিত করে যে, করোনাভাইরাস সাধারনত ছোয়াচে জাতীয় রোগ।এটা দ্রুত লোকসমাগম থেকে মানুষের দেহে থেকে অপরাপর সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু দেশের এই প্রাদুর্ভাব মহামারীতে মেয়র যদি প্রকাশ্যে নগরী ঘুরে বেড়ায়,যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাহলে মানুষের ভিতর সচেতনতা আর থাকবেনা।যদিও মেয়র সাদিক যেকোন স্থানে উপস্থিত হলে লোকসমাগম হবেই বলে তাদের ধারনা।সেখানে মেয়র সাদিক যদি অজ্ঞতার পরিচয় দেয়,তাইলে নগরবাসীকে হুমকির মুখে ফেলে দিবে বলে এই সুএটির দাবী। তবে মেয়রের এই সুএটির কন্ঠে জানান দিল, একজন দায়িত্বশীল নগরসেবক, নগরবাসীর কথা চিন্তে করে অন্তর্ধানে থাকলেও আড়ালে বসে ছিল তরুন বয়সী এই মেয়রের ব্যাপক পরিকল্পনা।কমতি ছিলনা নগর ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব। তবে মেয়রের আড়ালের থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে থাকার চেয়েও শক্তিশালী বলে আভাস দিয়েছিল অনেকেই।কিন্ত সকলকিছুর অবসান ভেংগে ১২ তারিখ সকালে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স যোগদিতে কালিবাড়ী বাসভবন থেকে স্বাভাবিক মেজাজেই জেলা প্রশাসনের কার্যালয় উপস্থিত হন।সেখানে তাকে বক্তব্য দিতে না দেখা গেলেও,প্রকাশ্যে এসে জানান দিলেন যে, যেকোনো মহামারী দুর্যোগে প্রশাসনের হাতকে শক্তিশালী কিংবা সহযোগিতা করতে সিটি কর্পোরেশন প্রস্তুত। এছাড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, তরুন বয়সী এই নেতা কাজে উদয়ীমান এবং সে যতটা নীরবে থাকে ততটা পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।যা নগরবাসীকে দেয় আকস্মিক চমক।যেমমনটা অতীতের উদাহরন আছে।তবে দীর্ঘদিন একাকীত্ব থাকার পর,বেশ ফুরফুরে মেজাজে মেয়র সাদিককে ৩০ টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর,আওয়ামীলীগ, ছাএলীগ সহ অংগ-সহযোগী সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দ সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দিতে দেখা যায়।পাশাপাশি নগরবাসীর দেখভাল করার দায়িত্ব তার একান্ত সহোচর নিরব হোসেন টুটুল কে দেওয়া হয়।যেন নগরের কোন বাসিন্দা খাদ্যের অভাবে দিন না কাটায়।অবশ্য খাদ্য-সামগ্রী বিতরন কর্মসূচি অব্যহত রয়েছে।এবং সিটি কর্পোরেশন এান-ফান্ডে সম্মানীর ৩৫ লাখ টাকা দিয়েছেন। এদিকে একাধিক মিডিয়ায় মেয়রের রহস্যজাল অন্তধার্নের কথা শোনা গেলেও, তা আবেগপ্রবন সংবাদ বলে উড়িয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট মহল।তবে মেয়র অন্তর্ধান ছিল বটে কিন্ত রহস্যঘেরা কোন সংলাপে নয়।এদিকে মেয়র সাদিক বাসায় অবস্থানকালীন নিয়ে নগরবাসীর মাঝে যখন তুমুল বিতর্ক চলছিল,তখনকার একাধিক মিডিয়ায়,অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছিল, “নগরবাসীর জন্য মেয়র সাদিকের ব্যাপক কর্মসূচি”।অবশ্য সিটি কর্পোরেশন সুএ থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায় আভাস দিয়েছিল এই তথ্যটি। যেখানে বুজানো হয়েছে,যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে মেয়রের খাদ্য সহায়তা। এমনকি নগরবাসীকে চিন্তামুক্ত করার জন্যই এই ভুয়ংসী পদক্ষেপ।তাই সকল কিছুর ধ্রুমজাল ভেংগে দুর থেকে হলেও নগরবাসীর ভরষার আস্রয়স্থল হিসেবে মানুষের মানিকোঠায় রয়েছেন এই তরুন বয়সী নেতা।সর্বশেষে প্রবাদের সুরে তাল মিলিয়ে বলতে হয়,”মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয় আড়ালে তার সুর্য হাসে”। যেটা সুর্যের আলোর মত নগরকে পুলকিত করেছে স্বয়ং মেয়র নিজেই।আর তার কর্মের গতিতে অসহায় মানুষের বিষাদের মেঘ কেটে গেছে।

শেয়ার করুন




© dailysomoyerkhobor। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।