রবিবার, ১২ Jul ২০২০, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
বরিশাল থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টা্ল "দৈনিক সময়ের খবর"বরিশাল বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলা সহ মহানগরীর ৩০ ওয়ার্ড ও ৪ টি থানায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হইবে।আগ্রহী প্রার্থীরা ৭ দিনের মধো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ যোগাযোগ করুন।
সংবাদ শিরোনাম :
একজন দেশপ্রেমিক স্বপ্নদ্রষ্টা যখন পথপ্রদর্শক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বান্ধবী কে একাধিকবার ধর্ষণ! অতঃপর অন্তঃসত্ত্বা! বরিশাল কলেজের নাম পরিবর্তন নিয়ে নগরজুড়ে তোলপাড়! করোনা জয়ী পুলিশ যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিলেন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান। দীর্ঘ ১২ বছর অপেক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ,প্রধানমন্ত্রীকে বিএএমটিপি’র কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা। পুত্রসন্তানের জনক হলেন সার্জেন্ট শহিদুল ইসলাম। সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই। বরিশালে সড়কের উপর গেট নির্মানের পায়তারা, মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা। সাংবাদিকতার সুযোগ দিচ্ছে “বরিশাল সময়ের খবর” শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন প্রফেসর মো. জিয়াউল হক।
করোনা আতঙ্কে বরিশাল বিএনপি মাঠ থেকে উধাও ?

করোনা আতঙ্কে বরিশাল বিএনপি মাঠ থেকে উধাও ?

শাকিব বিপ্লব: করোনা মহামারির এই দূর্যোগ মূহূর্তে বরিশাল বিএনপির শীর্ষ থেকে ওয়ার্ড পর্যার কোনো নেতাকর্মী মাঠে নেই। নেতৃত্বের অগ্রভাগে থাকা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার ঢাকায় উঠেছেন। জেলা দক্ষিণের সভাপতি এবায়েদুল হক চান ও সাধারণ সম্পাদক মেজবা উদ্দিন ফরহাদ বরিশালে থাকলেও প্রকাশ্যে আসছেন না। যুব ও ছাত্রদলের অধিকাংশ নেতা মাথার চুল ফেলে ন্যাড়া হয়ে অনেকটা হোম-কেয়ারন্টেনের আদলে বাসায় অবস্থান করছে। ফলে বিএনপির পক্ষ থেকে ত্রাণ বা আর্থিক সহয়তার কোন উদ্যোগ নেই। এ প্রসঙ্গে দলীয় নেতৃবৃন্দ একে অপরকে দুষছেন। তাদের বক্তব্য সাংঘর্ষিক।

এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের দাবি, সরকারের অসহযোগীতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন না। তবে প্রস্তুতি রয়েছে।

জেলার দক্ষিণের সভাপতি এবায়েদুল হক চানের দাবি, ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে বাঁধা আসলেও তাদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহয়তা দেয়া শুরু হয়েছে।

যুব ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের ব্যাখ্যা দীর্ঘদিন সরকারের বাইরে থাকায় আর্থিক দৈন্যতার কারণে দলীয় কোনো উদ্যোগ না থাকায় তারা মাঠে নামতে পারছে না।

নেতৃবৃন্দের এ ধরণের বক্তব্যকে দলীয় কর্মী সমর্থকরাই হাস্যকার হলে মন্তব্য করছে। তাদের ভিতরে জন্ম নিয়ে ক্ষোভ, নেতৃবৃন্দের প্রতি এসেছে বিতশ্রদ্ধভাব।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস বিস্তারের সূচনালগ্নে এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার ও এবায়েদুল হক চানকে প্রথম দুই দিন মাঠে দেখা গেছে। এর মধ্যে প্রথম জন জনসচেতনতায় লিফলেট বিরতণ ও দ্বিতীয় জন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে দাঁড়িয়ে হ্যান্ডস্যানিটেজার দিয়ে পথচারীদের হাত ধৌত করে নিজের অবস্থান জানান দিতে দেখা যায়। এরপর থেকে আর সংগঠনটির কোনো স্তরের নেতৃবৃন্দের আর দেখা নেই।

বলাবাহুল্য যে, বরিশাল বিএনপি দীর্ঘ দিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের বৈষম্যমূলক আচারণ ও পুলিশের দমন নীপিড়নের অজুহাত তুলে মাঠে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না, এমনটি অভিযোগ তুলে আসছিলো। করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট অনেকেরই ধারণা ছিলো দলটির এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এসেছে জনতার সাহায্যের্থে মাঠে নামার মধ্যদিয়ে। যেখানে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নিস্কিয়তা, সেখানে বিএনপির দুই শীর্ষ নেতার করোনা ভাইরাস নিয়ে মাঠে নামায় কিছুটা আশার আলোও দেখা দিয়েছিলো। কিন্তু আলো আধারির ন্যায় তাদের উপস্থিতি আবার হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে আসলেই সংগঠনটির সাংগঠনিক কাঠামো কতটুকু যুৎসই। এমনকি দলের মধ্যে স্থানীয়ভাবে ঐক্যের ঘাটতির বিষয়টির স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বললেন, সেই গতানুগতিক কথা। গতকাল রাতে এই প্রতিবেদক সেলফোনে শীর্ষ এই নেতার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল করোনা দূর্যোগে বরিশাল প্রেক্ষাপটে হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সহয়তা দেয়াসহ নানা তৎপরতার মাধ্যমে নতুন করে ইমেজ তৈরির সুযোগ কেনো হাত ছাড়া করো হলো? প্রতিউত্তরে তিনি জানালেন, ত্রাণ সহয়তা দিয়ে দূর্যোগ মোকাবেলায় সম্মিলিত চেষ্টায় সরকারের অসহযোগিতার কথা । সরকারের সমন্বয় কেনো, এককভাবে বিএনপির ভূমিকা রাখা প্রয়োজন ছিলো কি না এমন প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ থাকার অজুহাত তুলে ধরে বলেন, পরিবেশ স্বাভাবিক হলে দলের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহয়তা দেয়া হবে। এজন্য দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।  এই বিতর্কের অবসান টানতে তিনি জানান, দেশের বাইরে অবস্থানকারী তার দুই সন্তানকে দেশে ফিরিয়ে আসতে তিনি দ্রুত ঢাকায় আসেন। এরপরই লকডাউনের কারণে বরিশাল ফিরতে পারছেন না।
পক্ষান্তরে বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে এই নেতার পর ভূমিকায় থাকা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন বলেন, দীর্ঘদিন সরকারের বাইরে থাকায় আর্থিক সংকট থাকলেও এই দূর্যোগে তারা একেবারেই নিরব তা নয়। তার সংগঠনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহয়তা দেয়া শুরু হয়েছে। ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত কর্মী সমর্থকদের এই আর্থিক সহয়তা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নির্দলীয়ভাবে ত্রাণ তৎপরতা। এ অঞ্চলের একজন শীর্ষ নেতা দলের পক্ষে ইতোমধ্যে বানারীপাড়া-উজিরপুর থেকে এই ত্রাণ কর্মসূচি শুরু করেছেন। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় তা দেয়া হবে। কে সেই নেতা রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে তার নাম প্রকাশে তিনি অস্বীকৃতি জানান। শহর বাদ রেখে কেনো গ্রামে চলছে ত্রাণ তৎপরতা তার সঠিক ব্যাখ্যা এই নেতাও দিতে পারেনি। অবশ্য কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের বক্তব্যের সাথে তিনি দ্বিমত পোষণ করেন। এবায়েদুল হক চাঁনের যৌতিকতা হচ্ছে ত্রাণ দেয়ার মানুষিকতা থাকলে ঢাকায় কেনো সুদুর লন্ডন থেকেও দরিদ্র মানুষকে আর্থিক সহয়তা দেয়া যায়। যদি দুর থেকে সংগঠনের কার্যক্রম চালানো যায় তাহলে ত্রাণ দেয়া ক্ষেত্রে দুরত্বে থাকায় সরোয়ারের এই যুক্তি অমুলুক বলে তিনি মনে করেন।
আবার উভয় নেতা একটি ক্ষেত্রে একমত পোষণ করে বলেন, ক্ষমতাসীন দল ত্রাণ দিচ্ছে বটে কিন্তু নির্দলীয়ভাবে নয়। সরকারি দলের কর্মী সমর্থক থেকে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মুখ চিনে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে বিএনপির কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। আবার দীর্ঘ তাদের সংগঠন ক্ষমতার বাইরে থাকায় আর্থিক সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন। এবায়েদুল হক চাঁন অবশ্য এক কদম এগিয়ে গিয়ে বলেন, আর্থিক দৈন্যতা রয়েছে এ কথা সঠিক হলেও দলের কিছু বিত্তশালী নেতা ত্রাণ দিতে এগিয়ে আসেছেন।
এই নেতার বক্তব্যের সারকথা হচ্ছে, তাদের ত্রাণ তৎপরতা চলছে অনেকটাই নিরবে। আবার স্বীকার করে নেন যে, দলীয় কর্মী সমর্থক অর্থাৎ তাদের ঘরোনার নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অর্থ সহয়তাও পৌছে দেয়া হচ্ছে। এবায়েদুল হক চাঁনের বক্তব্যের একেবারে বিপরীত কথা বলরেন এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার। বরিশালে দলের পক্ষ থেকে কোনো এক নেতা ত্রাণ দিচ্ছেন অথবা আর্থিক সহয়তা দেয়া শুরু হয়েছেন তা তিনি জানেন না। উপরন্ত বলছেন ত্রাণ দিতে গেলে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের বাঁধার মুখে পরতে হয়। প্রশ্ন রাখা হয়েছিল এধরণের কোন উদারহণ রয়েছে কি না। এ সময় বরিশাল প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে তিনি অন্য জেলার ঘটনা উল্লেখ করেন। অথবা করোনা দূর্যোগে মাঠে থাকার প্রশ্নে এই দুই শীর্ষ নেতার সাংঘর্ষিক বক্তব্য প্রমাণ করে দলের মধ্যে ঐক্যের ঘাতির বিষয়টি।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে উভয় নেতা এক মঞ্চে অবস্থান নিয়ে বলেন, বরিশালে ত্রাণ নিয়ে অনেক হৈচৈ হচ্ছে কিন্তু সাধারণ মানুষ ত্রাণ পাচ্ছে তার কোন সুনিদৃষ্ট নজির ক্ষমতাসীন দল দেখাতে পারবে না। এমনকি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সদর আসনের সাংসদ এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মাঠে না থাকায় তারা সমালোচনা করে বলেন এই দূর্যোগে তারা যেখানে মাঠে নেই, সেখানে তাদের ত্রান তৎপরতা যর্থাথ হচ্ছে কিনা তা এই থেকেই অনুমান করা যায়।
এর প্রেক্ষাপটে এই প্রতিবেদক প্রশ্ন রেখেছিলেন তাহলে কি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের করোনা আতঙ্কে ধরেছে কিনা? সরোয়ার বা চাঁন তা অস্বীকার করলেও মাঠে কেনো নেই তার উত্তরে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখা দিয়েছেন। খোঁজ খবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ সাড়ির নেতাদের মধ্যে এক মাত্রা সরোয়ার বাদে অন্যরা সবাই বরিশালে রয়েছেন।

একমাত্র বরিশাল যুবদলের সভাপতি পারভেজ আকন বিপ্লব স্বউদ্যোগে তার নিজ এলাকা কাউনিয়ার কিছু অংশে ত্রাণ সহয়তা দিলেও বিএনপি কর্মী সমর্থকদের বেচে বেচে দেওয়ায় স্থানীয় আ’লীগের মধ্যে অসন্তোষের কথা শোনা গেছে। বিপ্লবের বক্তব্য হচ্ছে, কাউনিয়ায় সরকারি দলের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহয়তা দেয়ার ক্ষেত্রে দলীয় বিষয়টি প্রাধান্য দেয়ায় বিএনপি কর্মী সমর্থকরা বঞ্চিত হওয়ায় তিনি নিজ উদ্যোগে ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নিতে বাধ্য হয়েছেন।
হাস্যকার বিষয় হলো শীর্ষ নেতারা ঘরমুখী হওয়ায় দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাও ঘরবন্দি জীবনযাপন করছেন ব্যাতিক্রমতায়। বিশেষ করে মহানগর যুব ও ছাত্রদলের অধিকাংশ নেতা মাথার চুল ফেলে ন্যাড়া হয়ে অনেকটা হোম কেয়ারন্টেনের আদলে নিজ এলাকার মধ্যে চলা ফেরা সীমাবদ্ধ রেখেছে। কিন্তু তাদের ফেসবুকে বেশ সোচ্চার এবং একাত্রিত অবস্থায় নানা ঢংয়ে সেলফিতে দেখা যায়। এ ধরণের প্রায় একডজন নেতাকে দেখা গেছে একই আদলে। উল্লেখ করার মত মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ হাসান মামুন, সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহাদেব শর্মা, যুবদলের সদস্য ও মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এস.এম আলাউদ্দিনকে ন্যাড়া মাথায় ফেসবুকে হাস্যোজ্জ্বল চিত্রে দেখা যায়।
এই প্রতিবেদকের সাথে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আল আমিনের কথা হলে তিনি স্বীকার করেন দলীয় কোন কার্যক্রম না থাকায় গরমে মাথায় ন্যাড়া বাসায় অবস্থান করছেন। অপরাপর নেতারাও নেতাদের মাথা ন্যাড়া হওয়ার রহস্য কি তার উত্তরে তিনি একই যুক্তি দেখালেন। করোনা ভাইরাস নিয়ে যখন আতঙ্ক উদ্বেগের বরিশালে যুব ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের মাথা ন্যাড়া হওয়া নিয়ে হাস্য রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির দুর্গ বলে পরিচিত বরিশালে এই সংগঠনটি বর্তমান সরকারের শুরু থেকেই কোনো ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে না পারার ক্ষেত্রে পুলিশের দমন নীপিড়নের দোহাই দিলেও এখন সুযোগ এসেছিল করোনা ভাইরাসের এই দূর্যোগে মাঠে অগ্রণী ভূমিকায় থেকে দলীয় ইমেজ ও নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করা যেতো। ক্ষমতাসীন দলের নেতা যেখানে মাঠে নেই সেখানে এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো সমূহ সুযোগ এসেছিলো। বাসদ নেত্রী মনিষা চক্রবর্তী সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে শুধু আ’লীগ নয়, বিএনপিকে বুজিয়ে দিয়েছে আত্মরিকতা থাকলে আর্থিক সংকট বড় বিষয় নয়। যে কারণে বরিশাল রাজনীতিতে এই তরুণ নেত্রী একটি আলাদা ইজেম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন দুটি বড় দলের নেতৃবৃন্দের উধাও হয়ে যাওয়ার মধ্যভাগে।
বিএনপির মাঠ পর্যায়ের কর্মী সমর্থকরা এই চিত্রে শুধু হতাশই নয়, দলটির আগামীর পথপরিক্রমা নিয়েও সন্ধিহান। বিশেষ করে মহানগর বিএনপির কান্ডারী এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ দলের বৃহৎ অংশ। তাদের অভিমত আর্থিকভাবে শক্তিশালী এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার একাই পারতেন দূর্যোগের এই মুহূর্তে ত্রাণ নিয়ে উপস্থিত হতে। দলের কান্ডারী হয়ে তিনিই যেখানে উধাও সেখানে সংগঠনের অপরাপর নেতাদের ঘরমুখী হওয়াটা স্বাভাবিক।

কেউ কেউ বলছে, বিএনপির দুর্গে ফাটল ধরছে, অনৈক্য বা বিবেধ বরিশাল বিএনপির সেই শক্তি আর উদ্যাম আর নেই।

শেয়ার করুন




© dailysomoyerkhobor। সর্বসত্ব সংরক্ষিত।